Bengali Blog# Indian popular Festival Diwali Celebration/Deepawali Celebration/দীপাবলি

সবার কাছে দীপাবলির অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন

Diwali 2022:আমার প্রিয় সকল ভাই বোনদের জানাই দীপাবালির আন্তরিক শুভেচ্ছা | আমি রামিজউদ্দিন মন্ডল এটা আমার প্রথম ব্লগ | আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আমি এবারের দীপাবলিতে কী কী করলাম কোথায় কোথায় ঘুরলাম সব কিছু জানাবো | প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ব্লগটা দেখ আসা করছি ভালো লাগবে |
সকালবেলা কী করলাম: সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর একটা অন্য রকম আনন্দ জাগলো আমার মনে | আজ কালীপূজা খুবই আনন্দ হই হুল্লার হবে | কিন্তু বিছানা ছেড়ে যখন আমি বাইরে বেড়িয়ে এলাম তখন দেখি আকাশের চারিদিকে মেঘে ঢাকা এবং বৃষ্টি পড়ছে টিপটিপ করে | এটা দেখার পর আমার মন থেকে কিছুটা আনন্দ যেন সরে গেল | সকালটা এই ভাবেই বাড়িতে বসে বসে কেটে গেল |

এর পর আস্তে আস্তে আবহাওয়া খুবই খারাপ হতে লাগলো | কিন্তু তারই মাঝে এই আনন্দকে কোনো বাঙালীই হারাতে চাই না | তাই আমরা বেড়িয়ে পড়লাম বাজারে কিছু কেনাকাটার উদ্দেশ্যে | বৃষ্টি তখনও ছাড়েনি | তারপর ভিজতে ভিজতে বাড়িতে এসে পরিষ্কার হয়ে একটু বসার পর বন্ধুদের ম্যাসেজ এবং কল আসতে থাকে | তাদেরকে আমার তরফ থেকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাই এবং তারাও আমাকে দীপাবলির শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই | ফোনে কথা বলতে বলতে কখন যে দুপুর হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না | তারপর মা দুপুরের খাবারের জন্য ডাকলো আমি চলে গেলাম |

বিকালে কোথায় গেলাম: দুপুরের খাবার শেষ করার পর প্রত্যেক বাঙালীর একটা ভাতঘুম আসে তো আমিও ঘুমিয়ে পড়লাম | আবহাওয়ার খারাপ পরিস্থিতি দেখে কোথাও যাবোনা ভেবে ছিলাম কিন্তু ঘুম থেকে ওঠে দেখি বৃষ্টিটা ছেড়ে গেছে | কিন্তু আকাশে মেখলা ভাবটা এখনও আছে আর ঝোরো হাওয়া বইছে | হঠাৎ করে একটা বন্ধুর ফোন আসে সে বলছে চল কোথাও ঘুরে আসি | আমিও তার কথাই রাজি হয়ে চলে গেলাম আমাদের বাড়ি থেকে 10 কিলোমিটার দূরে বয়ে চলা ঘিয়া নদীর তীরে | নদীটা খুব একটা বড়ো নয় কিন্তু আমরা চার বন্ধু ছিলাম যেটা আমাদের সব থেকে প্রিয় ঘোরার জায়গা ছিল | বেশি দূর কোথাও যাইনি | নদীর ধারে কিছুটা সময় কাটানোর পর সন্ধ্যা হয়ে গেল | আমরাও বাড়ি চলে এলাম |

সন্ধ্যা বেলায় কী করলাম: এবারে ভেবেছিলাম কিছুই মজা করা হবে না হয়তো | কিন্তু সেটাকে কেউ আর আটকাতে পারলো না| সন্ধ্যা হতেই চারিদিকে বোমা বাজির আওয়াজ ভেসে আসছে | গ্রামের কয়েকটা বন্ধু তাদের সমস্ত বোমা বাজি নিয়ে আমার কাছে চলে এলো যে আমরা সবাই এক সাথে মজা করব | কিন্তু ওরা যানে আমি প্রথম থেকেই এইসব বোমা বাজি থেকে ভয় পাই তাও ওরা মজা করবে বলে আমাকেও ডেকে নিয়ে গেল | আমি গেলাম কিন্তু ওইসব থেকে একটু দুরেই দাঁড়িয়ে থাকলাম |
          তারপর রাত্রি হতেই আমরা সবাই আমাদের গ্রামের কালীপূজার মন্ডপে চলে গেলাম | মাকে প্রনাম জানিয়ে আমার সমস্ত চাওয়া চেয়ে নিলাম |পূরোহিত মশায়ের পূজা শেষ করার পরই এদিক ওদিক একটু সময় কাটিয়ে অনেকটা রাত্রেই বাড়ি ফিরলাম |

       ব্লগটা এখানেই শেষ করছি আমি তো খুবই আনন্দন করলাম আশা করছি আমার মতো আপনারাও আনন্দন করেছেন | ভালো থাকবেন সুস্থ্ থাকবেন |